গাছ থেকে পাকা তেঁতুল পাড়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার
আজ - বৃহস্পতিবার
হ্যালো বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে অনেক অনেক ভালো রয়েছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো রয়েছি। 'আমার বাংলা ব্লগ'এর সকল ভাই-বোন বন্ধুদের কে আমার পক্ষ থেকে সালাম এবং অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করতে যাচ্ছি আজকের নতুন একটি পোস্ট। আপনারা জানেন 'সুমন মানেই নতুন কিছু এবং সুমন মানে ইউনিক পোস্ট। সেই কথাকে সামনে রেখেই উপস্থিত হয়েছি তেঁতুল পাড়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে পোস্ট উপস্থাপন করার জন্য। সময় উপযোগী পোস্ট শেয়ার করতে চলেছি।
প্রচন্ড গরমের দিনকাল তাই আমাদের উচিত এই গরমে প্রেশার নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য পাকা তেতুলের শরবত খাওয়া। কারণ তেতুলের আছে অনেক শক্তি যা শরীরকে ভালো রাখার জন্য যথেষ্ট ভূমিকা পালন করে থাকে। আমি আজকের তেঁতুলের ফটোগ্রাফি করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি। তবে এই ফটোগ্রাফি গুলো এবং তেতুল পাড়ার দৃশ্য আজ থেকে অনেক দিন আগের। আমরা অনেকেই জানি মাঘ মাসে তেঁতুল পেকে থাকে। তবে সময় সাপেক্ষে এতদিন আপনাদের মাঝে পোস্ট করতে পারি নাই। তবে প্রচন্ড গরমের দিনে ইচ্ছে হলো মনে, যদি আপনাদের মাঝে এই বিষয়ে পোস্ট করে শেয়ার করি তাহলে ভালো হয়।
'আমার বাংলা ব্লগ' কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট |
|---|
বিশ বছরের অভিজ্ঞতা
পুরাতন অভ্যাস, লাফ দিয়ে তেঁতুল গাছে উঠে পড়লাম তেঁতুল পাড়ার জন্য। তবে যথেষ্ট সাবধানতার সাথে উঠেছি কারণ পকেটে এন্ড্রয়েড মোবাইলটা ছিল। আর তেঁতুল গাছ অনেক পিছলা। তেতুল পাড়তে আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে কারণ তেঁতুল গাছের ডাল সহজে ভেঙে পড়ে না। আর আমাদের তেতুল গাছটা বড় হওয়া সত্ত্বেও গাছটি পুকুরের ধারে। যার জন্য ভয় একটু কম, পড়ে গেলেও সমস্যা নেই। আপনারা লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমার চারিপাশে অসংখ্য তেঁতুল। আর তেঁতুল গাছে ওঠার সময় একটা কাটার অবশ্যই কাছে রাখতে হয় এর জন্য যে অনেক সময় গাছের ডালের মধ্যে যাওয়া সম্ভব হয় না। তাই কিছু ডাল কেটে পথ তৈরি করে নিতে হয়। সামনের তেতুলগুলো অবশ্য খুবই দারুন লাগছিল দেখতে। তবে এর মধ্যে পাকা তেঁতুলের সংখ্যা খুব কম ছিল। আমি যখন ফটো উঠাচ্ছিলাম তখন খুবই মনোযোগ সহকারে উঠানোর চেষ্টা করছিলাম এবং তার আগে ভালোভাবে গাছের ডালে নিজের অবস্থান করে নিয়েছিলাম যেন আমি এবং আমার হাতের মোবাইলটা পড়ে না যাই। কত উপরে উঠছি দেখছেন? গাছটা অনেক উঁচা। তবে অভ্যাস থাকায় কিছু মনে হচ্ছে না। কি মনে করছেন? শুধুমাত্র বন্ধুদের দেখানোর জন্য এত কষ্ট করে মোবাইল হাতে গাছের মাথায়? মোটেও না, গতবছরেও এভাবে তেঁতুল পেড়েছিলাম কিন্তু তখন কাজ করতাম না অনলাইনে। এখান থেকে পড়ে গেলে চেয়ে থাকা মানুষগুলোর তেঁতুল খাওয়া বের হয়ে যাবে। তবে আশা করি পড়বো না কারণ দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা তেঁতুল গাছে ওঠে পাকা তেঁতুল পাড়ার। তবে একটা ভালোলাগা বিষয় এই যে সারা বছর তেঁতুল থাকে আমাদের এই গাছে। আর তেঁতুল গুলো অনেক সাধের হয়। ব্যাগ হাতে নিয়ে উঠেছি। পাকা তেঁতুল গুলো একটি একটি করে ছড়িয়ে ব্যাগের মধ্যে রাখবো। অবশ্য তেঁতুল গাছটি পুকুরের ধারে হাওয়ায় টেনশন ফ্রি ছিলাম, পড়ে গেলেও পুকুরের পানিতে পড়বো। অবশ্য ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই, তেঁতুল গাছের ওঠার অভিজ্ঞতা আমার ২০ বছরের। তবে পাকা তেঁতুল ছোড়ানো কঠিন আছে, সহজে ছুড়তে চায় না। দীর্ঘদিন আগে তেঁতুল গাছে উঠে তেতুল পারছিলাম। তবে ওঠার আগে ভেবেছিলাম নরমাল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলটার সাথে নিয়ে উঠি। তাহলে হয়তো কিছু ফটোগ্রাফি করে আপনাদের মাঝে দেখাতে পারবো। আমি আজও গাছে উঠতে পারি! আলহামদুলিল্লাহ। অনেকেই আমার মত গাছে উঠতে পারে না। বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের ওজন বৃদ্ধি হয়ে যাওয়ায় তেমন আর বেশি গাছে ওঠা হয় না। তবে চেষ্টা করি কিছু কিছু গাছে ওঠার জন্য। তবে আপনাদের জন্য পরামর্শ থাকবে প্রচন্ড গরমের শরীর ভালো রাখতে ও প্রেশার নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য অবশ্যই তেঁতুল খাবেন। কারণ এটা শরীরের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল।
|
|---|
| আমার পরিচিতি | কিছু বিশেষ তথ্য |
|---|---|
| আমার নাম | @sumon09🇧🇩🇧🇩 |
| ফটোগ্রাফি ডিভাইস | মোবাইল |
| ব্লগিং মোবাইল | Infinix hot 11s |
| ক্যামেরা | camera-50mp |
| আমার বাসা | মেহেরপুর |
| আমার বয়স | ২৫ বছর |
| আমার ইচ্ছে | লাইফটাইম স্টিমিট এর 'আমার বাংলা ব্লগ' এ ব্লগিং করা |
| পুনরায় কথা হবে পরবর্তী কোন পোষ্টে,ততক্ষণ ভালো থাকা হয় যেনো। আল্লাহ হাফেজ। |
|---|
We found fruit in your post, upvoted and resteemed on @fruitjuice
তেঁতুল গাছের ডাল একেবারে নড়বড়ে হয়ে থাকে। সেজন্য এই গাছে তেমন একটা উঠিই না। তবে পাঁকা তেঁতুল দেখলে কী আর মাথা ঠিক থাকে। আপনার পাকা তেঁতুল এর ছবি দেখে তো মনে হচ্ছে আমি গিয়ে ঢিল মারি গাছে হি হি।
ঢিল মারলে তেঁতুল পড়ে না ভাই তেঁতুলের বোটা খুব শক্ত হয়।
আপনাদের গাছে তো দেখছি তেতুল ভরাট হয়ে আছে। পুরো গাছে শুধু তেতুলে দেখতে পাচ্ছি একটি জায়গাও খালি নেই। দেখে ভীষণ ভালো লাগলো। তেতুল অনেক দিন হচ্ছে খাওয়া হয়না। আপনার তেঁতুল পাড়ার অভিজ্ঞতা পোস্ট করে ইচ্ছে করছে এখনই খেয়ে নিতে। আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ভাই আমাদের গাছে প্রচুর তেঁতুল ধরে থাকে।
আমিও তো বলি যে এখন আপনি তেতুল কোথা থেকে পারলেন। তবে আমাদের বাড়িতে ছোটবেলায় আমরা এভাবে গাছ থেকে পাকা তেতুল পারতাম এর মজাই আলাদা। ধন্যবাদ আপনাকে এই তেতুল পাড়ার কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আমি মাঘ মাসের ফটোগ্রাফি করে রেখেছিলাম কিন্তু দেয়া হয়নি এতদিন।
গাছ থেকে পাকা তেতুল পাড়ার অভিজ্ঞতা পোস্ট দেখে খুবই ভালো লাগলো। পাকা তেতুল দিয়ে টক তৈরি করলে খেতে বেশ মজা লাগে। দেখে তো মনে হচ্ছে বেশ মজা করে খেয়েছেন। আমাদের সাথে এত সুন্দর ভাবে উপস্থাপনা করার জন্য ধন্যবাদ।
পাকা তেঁতুল শরীরের জন্য খুবই উপকার। বিশেষ করে এই গরমের দিনে তেঁতুল এর শরব খাওয়া খুবই জরুরী।
তেঁতুল গাছের ফটোগ্রাফ দেখে ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল। মনে পড়ে একদিন এক জায়গায় বেড়াতে গিয়েছিলাম তাদের একটি বড় তেতুল গাছ ছিল। তখন ছিল রোজার সময়। কিন্তু তেতুলের লোভ সামলাতে না পেরে তেতুল খেয়ে রোজা ভেঙ্গে ফেলি। ঐদিন শুধু তেতুল খেয়ে কাটায়।
আসলে ভাইয়া ছোটবেলার কর্মকাণ্ডগুলো স্মরণ করলে খুবই হাসি লাগে।