অহংকার
নমস্কার বন্ধুরা,
সময়ের পালাবদলে একটা প্রশ্ন থেকে যায়,আমরা আসলেই কি ঠিক ছিএলাম?আজকে এই ব্যস্ততম জীবনে দাঁড়িয়ে ফেরার তো আসলেই কোনো পথ নেই তবুও ভাবনারা আসে।
অহংকার নিয়ে
মানুষ খুব দূর হাঁটতে পারে—
শুধু পাশে থাকা মানুষগুলো
একসময় দৃশ্য থেকে সরে যায়।
প্রথমে সে ভাবে,
সবাই তাকে বুঝতে ব্যর্থ;
তারপর ধীরে ধীরে
নিজের প্রতিধ্বনিকেই সত্য বলে মানে,
আর নীরবতাকে সম্মতি।
অহংকারের ঘর
দেখতে খুব উঁচু—
জানালা বড়, আলো প্রচুর,
কিন্তু সেখানে বাতাস ঢোকে না;
কারণ প্রতিটি দরজার সামনে
নিজেকেই প্রহরী করে রাখা হয়।
ক্ষমা চাইতে গিয়ে
তার জিহ্বা ভারী হয়ে আসে,
ভালোবাসতে গিয়ে
সে হিসাব করে—
কে কতটা নত হলো,
কে আগে ফিরে তাকাল।
অহংকার জানে না
জয় আর একাকিত্বের মধ্যে
কত সামান্য দূরত্ব;
একটি তর্ক জিতে
মানুষ কখন যে একটি সম্পর্ক হারায়,
তা বোঝা যায় অনেক পরে।
তখন টেবিলের অন্য পাশটি খালি,
ফোনের পর্দা দীর্ঘদিন নীরব,
আর পুরোনো কথাগুলো
মনে পড়ে নতুন অর্থে—
যাদের দুর্বল ভেবেছিল,
তারাই হয়তো সবচেয়ে বেশি সহ্য করেছিল।
অহংকার ভাঙার শব্দ
বাইরে কেউ শোনে না;
এটি ভাঙে গভীর রাতে,
যখন মানুষ নিজের সামনে বসে
কোনো অজুহাত ছাড়া
নিজের পরাজয় দেখে।
তবু ভেঙে যাওয়া সবসময়
শেষ হয়ে যাওয়া নয়—
কখনো মাথা নত করাই
প্রথম সত্যিকারের দাঁড়ানো,
কখনো “আমি ভুল করেছি” বলা
সবচেয়ে সাহসী উচ্চারণ।
অহংকার নিয়ে
মানুষ যত ওপরে ওঠে,
তত ছোট দেখায় পৃথিবী;
আর বিনয় নিয়ে নিচে নামলে
হঠাৎ দেখা যায়—
যাদের হারিয়ে ফেলেছিল,
তারা কখনো শত্রু ছিল না;
শুধু ভালোবাসার দরজায়
অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেছিল।
কবিতাটিকে আরও তীক্ষ্ণ, দার্শনিক বা সম্পর্কভিত্তিক সুরে রূপ দেওয়া যায়।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
