আক্ষেপ
স্পষ্ট কথার স্বাদ বড্ড তিতা, এই সত্য যত দ্রুত বুঝবেন, তত তাড়াতাড়ি দেখবেন আশেপাশের অনেক কিছুই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।
একই রাস্তার একাধিক গলি, যত রাস্তা পেরিয়ে গলির ভেতরে ঢুকবেন, ততই গুলিয়ে যাবেন। অলিগলির ভেতরে কে ফিসফিস করছে কিংবা কে ডুকরে মরছে তা যেমন বোঝা মুশকিল, তারথেকেও কষ্টসাধ্য বিষয়, উচিত কথা সঠিক জায়গায় পৌঁছানো।
অলিগলি যেমন একত্রে একখানে গিয়ে মিলিত হয়, তেমনটা কথাগুলোও ঘুরপাক খেতে খেতে সুদীর্ঘ হয়ে যায়,তবে একত্রিত হতে পারে না।
কথার প্রয়োজনে কথা বাড়ে, তবে কথা যতই লম্বা হোক না কেন, তা ক্রমশই ছেঁটে ফেলা হয়। মানে যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই গ্রহণযোগ্য । বাড়তিটুকু অবশিষ্টের তালিকায় জমা হয়।
ফিসফিস করা কথা গ্রহণযোগ্যের তালিকায় থাকছে নাকি ডুকরে ওঠা কথা অবশিষ্টের তালিকায় জমা হচ্ছে , কে জানে তা।
আসলেই কেউ কোন কিছু জানে না, হোক তা রাজপথের চিল্লানি, অলিগলির ফিসফিসানি কিংবা কারো ডুকরে মরার গোঙানি ।
কথায় শুধু কথা বাড়ে আর আক্ষেপ জন্মাতে থাকে।
এই হচ্ছে অবস্থা।